ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার পরিবারসহ হত্যার পরও দেশটির ইসলামী শাসনতন্ত্রের অবসান ঘটাতে না পেরে টানা ৩৪ দিন ধরে একের পর এক নেতা ও কমান্ডারকে হত্যা করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেইসঙ্গে ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হচ্ছে ইরানের জ্বালানি ও পারমাণবিক কর্মসূচিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনাও। তবে, শক্ত জবাব দিয়ে চলেছে তেহরানও। ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সম্মিলনে ভয়ংকর সব হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।
সব মিলিয়ে যতটা সহজে ইরানকে পরাস্ত করবেন বলে ভেবেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা, তেমনটা তো হচ্ছেই না; বরং ইরানের জবাবের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ছে তাদের সব পরিকল্পনা।
এরই মধ্যে এবার যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় আরেকটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের আধা সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) আইআরজিসি-নিয়ন্ত্রিত ফার্স নিউজ এজেন্সির একটি টেলিগ্রাম পোস্টের বরাতে জানা গেছে, যুদ্ধবিমানটি যখন মধ্য ইরানের ওপর দিয়ে উড়ছিল, তখন সেটিকে গুলি করে নামানো হয়।
পোস্টে জানানো হয়, যুদ্ধবিমানটি ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ হয়েছে। বিমানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাইলট সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি তাদের একটি টেলিগ্রাম পোস্টে জানিয়েছে, বিধ্বস্ত হওয়ার সময় ‘ভয়াবহ বিস্ফোরণ’ ঘটায় পাইলটের পক্ষে বিমান থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইআরজিসির এই দাবির বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
আরটিভি/এসএইচএম



